Posts
Showing posts from November, 2019
ঘূণিঝড়ের নামকরণ কারা, কিভাবে করে?
- Get link
- X
- Other Apps
ঘূণিঝড়ের নামকরণ কারা, কিভাবে করে? বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা আঞ্চলিক কমিটি একেকটি ঝড়ের নামকরণ করে। যেমন ভারত মহাসাগরের ঝড়গুলোর নামকরণ করে এই সংস্থার আটটি দেশ। দেশগুলো হচ্ছে: বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, মায়ানমার, মালদ্বীপ, শ্রীলঙ্কা, থাইল্যান্ড এবং ওমান। যাদের প্যানেলকে বলা হয় WMO / ESCAP World Meteorological Organization United Nations Economic and Social Commission for Asia and the Pacific ২০০৪ সাল থেকে বঙ্গোপসাগর ও আরব সাগরের উপকূলবর্তী দেশগুলো ঝড়ের নামকরণ শুরু হয়। সে সময় আটটি দেশ মিলে মোট ৬৪টি নাম প্রস্তাব করে। ধন্যবাদ।
The Miracle Morning (60 Minutes)
- Get link
- X
- Other Apps
The Miracle Morning (60 Minutes) Life S.A.V.E.R.S S = Silence....................................... (05 Minutes) A = Affirmation............................... (05 Minutes) V = Visualization............................. (05 Minutes) E = Exercise..................................... (20 Minutes) R = Reading..................................... (20 Minutes) S = Scribing...................................... (05 Minutes) Thanks.
বুলবুল/Bulbul সাইক্লোন
- Get link
- X
- Other Apps
বুলবুল/Bulbul সাইক্লোন বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট এই ঘূর্ণিঝড়ের নামটি দিয়েছে পাকিস্তান । তবে অনেকেই জানেন এর নাম বুলবুল দেয়া হলো কীভাবে? ১৯৪৫ সাল থেকে গ্রীষ্মমণ্ডলীয় অঞ্চলে শুরু হয় সাইক্লোন-টাইফুন ও হারিকেন তথা ঘূর্ণিঝড়ের আনুষ্ঠানিক নামকরণ। একসময় ঝড়গুলোকে নানা নম্বর দিয়ে শনাক্ত করা হতো। কিন্তু সেসব নম্বর সাধারণ মানুষের কাছে দুর্বোধ্য হতো। ফলে সেগুলোর পূর্বাভাস দেয়া, মানুষ বা নৌযানগুলোকে সতর্ক করাও কঠিন মনে হতো। এ কারণে ২০০৪ সাল থেকে বঙ্গোপসাগর ও আরব সাগরের উপকূলবর্তী দেশগুলোয় ঝড়ের নামকরণ শুরু হয়। সে সময় আটটি দেশ মিলে ৬৪টি নাম প্রস্তাব করে। সেসব ঝড়ের নামের মধ্যে এখন বুলবুল ঝড়কে বাদ দিলে আর ৫টি নাম বাকি রয়েছে। বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা আঞ্চলিক কমিটি একেকটি ঝড়ের নামকরণ করে। উদাহরণস্বরূপ ভারত মহাসাগরের ঝড়গুলোর নামকরণ করে এই সংস্থার আট দেশ। দেশগুলো হচ্ছে- বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, মিয়ানমার, মালদ্বীপ, শ্রীলংকা, থাইল্যান্ড ও ওমান, যাদের প্যানেলকে বলা হয় WMO/ESCAP। একসময় ঝড়ের নাম হিসেবে নারীদের নামকে প্রাধান্য দেয়া হলেও পরবর্তীতে আবারও পুরুষের নাম সংযে...
কিডনি পরিষ্কার রাখুন দুই খাবারে
- Get link
- X
- Other Apps
কিডনি পরিষ্কার রাখুন দুই খাবারে কিডনি শরীরের অনেক গুরুত্বপূর্ণ কাজ করে। এটি শরীর থেকে বিষাক্ত পদার্থ ছেঁকে বের করে দেয়। তাই কিডনিকে সুস্থ রাখা জরুরি। না হলে কিডনি ফেইলিউর, কিডনি ক্যানসারসহ বিভিন্ন সমস্যা হতে পারে। পর্যাপ্ত পরিমাণ স্বাস্থ্যকর খাবার ও পানি পান করা কিডনিকে ভালো রাখে। তবে কিছু ভেষজ রয়েছে যেগুলো কিডনিকে পরিষ্কার করতে উপকারী। কিডনি পরিষ্কার করে এমন দুটি ভেষজের কথা জানিয়েছে স্বাস্থ্য বিষয়ক ওয়েবসাইট হেলথ অ্যান্ড হিউম্যান। ১. রসুন রসুন কিডনিসহ দেহের অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গকে ভালো রাখতে সাহায্য করে। এটি দেহ থেকে বাড়তি সোডিয়াম দূর করে। রসুনের মধ্যে রয়েছে অ্যালাইসিন, অ্যান্টি ইনফ্লেমেটোরি, অ্যান্টি ব্যাক্টেরিয়াল ও অ্যান্টি ফাঙ্গাল উপাদান। রসুন কিডনি থেকে বিষাক্ত পদার্থ দূর করতে কার্যকর। তাই কিডনি ভালো রাখতে খাদ্যতালিকায় এটি রাখুন। ২. আদা আদার মধ্যে জিনজেরোল নামের উপাদান রয়েছে। এটি হজম ভালো করে এবং শরীরের প্রদাহ কমায়। রক্তে সুগারের মাত্রা বেড়ে গেলে কিডনিতে ক্ষতিকর প্রভাব পড়ে। কিছু গবেষণা বলে, আদা সুগারের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে অনেকটা উপকারী। তাই নিয়ম...
শিক্ষিত / অশিক্ষিত ও নিরক্ষর / Educated / Uneducated & Illiterate
- Get link
- X
- Other Apps
শিক্ষিত / অশিক্ষিত ও নিরক্ষর / Educated / Uneducated & Illiterate "সাধারণত শিক্ষিত তাকেই বলা হয়, যার অক্ষর জ্ঞান আছে যা দ্বারা সে পড়ালেখা করতে পারে"। কিন্তু এখানে আমার একটু দ্বিমত রয়েছে। একজন মানুষ ভালো ছবি আঁকতে পারে, সে যদি পড়াশুনা না জানে তবুও তাকে আমরা শিক্ষিত বলতে পারি! যেহেতু লোকটি ছবি আঁকার বিষয়ে শিক্ষিত। অক্ষরজ্ঞান সম্পন্ন অনেক মানুষই ছবি আঁকতে পারে না। অক্ষরজ্ঞান সম্পন্ন মানুষটি ছবি আঁকার বিষয়ে অশিক্ষিত। ছবি আঁকতে পারা লোকটি ছবি আঁকার বিষয়ে শিক্ষিত তবে নিরক্ষর বলা যায়। যদি কেউ প্রজ্ঞা ও মূঢ়তার মধ্যে, ভাল ও মন্দের মধ্য, শালীনতা ও আশালীনতার মধ্যে পার্থক্য করতে পারেন, তাহলে তার প্রাতিষ্ঠানিক স্বীকৃতি থাকুক বা না থাকুক তাকে শিক্ষিত ব্যক্তি বলা হবে। ধন্যবাদ।
পরকীয়া / Adultery / Extramarital affair বা Extramarital sex
- Get link
- X
- Other Apps
পরকীয়া / Adultery / Extramarital affair বা Extramarital sex বিবাহিত কোন ব্যক্তির (নারী বা পুরুষ) স্বামী বা স্ত্রী ছাড়া অন্য কোন ব্যক্তির সাথে বিবাহোত্তর বা বিবাহবহির্ভূত প্রেম, যৌন সম্পর্ক ও যৌন কর্মকান্ড| মানবসমাজে এটি লঘু বা গুরুভাবে নেতিবাচক হিসেবে গণ্য |পাশ্চাত্য আধুনিক সমাজে এর প্রতি নেতিবাচক মনোভাব বজায় থাকলেও এটি আইনত অপরাধ বলে বিবেচিত হয় না, তবে অভিযোগ প্রমাণিত হলে পরকীয়াকারী ব্যক্তির বিবাহিত সঙ্গী তার সাথে বিবাহবিচ্ছেদের জন্য কোর্টে আবেদন করতে পারেন| তবে ইসলামি রাষ্ট্রসমূহে এর জন্য কঠোর শাস্তির বিধান রয়েছে, যা হল পাথর নিক্ষেপ করে মৃত্যুদন্ড প্রদান| মনোচিকিৎসায় একথা স্বীকৃত যে, পিতামাতার পরকীয়া সন্তানের মানসিক স্বাস্থ্যের উপর এবং সামাজিক সম্পর্ক ও যোগাযোগে বিরূপ প্রভাব ফেলে এবং অধিকাংশ ক্ষেত্রেই তা সন্তানের মানসিক বিষন্নতার ও আগ্রাসী মনোভাবের জন্ম দেয়| এছাড়া পারিবারিক ও দাম্পত্য সম্পর্কের অবনতিতে পরকীয়া প্রভাব রাখে| পরকীয়া থেকে কিভাবে স্বামীকে / স্ত্রীকে বাঁচাবে এবং স্ত্রী কিভাবে স্বামীকে বিষাক্ত পরকীয়া থেকে বা পরনারী আসক্ত থেকে রক্...
ব্যক্তিত্ব/Personality
- Get link
- X
- Other Apps
ব্যক্তিত্ব/Personality ব্যক্তিত্ব হলো মানুষের কতগুলো আচরণে বহিঃপ্রকাশ। এক একজন মানুষের অভিব্যাক্তি একেক রকম । তাই কখনই একজন মানুষের ব্যক্তিত্ব আরেকজনের মত হয় না । এটা হয়তো মানুষের ব্যক্তিত্ব সম্পন্নের স্বকীয়তা । ব্যক্তিত্বের চেহারা গুরু গম্ভীর, হাস্যজ্বল, কুটিল, দয়াবান, সদা চঞল সবরকমই হতে পারে আর ব্যক্তিত্ব কিন্তু মানুষের জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত একই রকম থাকে না । এটা বিভিন্ন বয়সের সাথে পরিবর্তনশীল । ব্যক্তিত্বের সংজ্ঞা: “A brief definition would be that personality is made up of the characteristic patterns of thoughts, feelings and behaviors that make a person unique. In addition to this, personality arises from within the individual and remains fairly consistent throughout life”. ব্যক্তিত্ব আর মানবিক সর্ম্পক আঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত। মানবিক সর্ম্পকের উন্নয়ন ছাড়া ব্যক্তিত্বের উন্নয়ন অসম্ভব। যাইহোক, ব্যক্তিত্বের সকল তত্বব্যাখা দেওয়া সম্ভব কি না জানি না। তবে মনোবিজ্ঞানীরা বলেন, ব্যক্তিত্ব তার স্বকীয় বংশগতি ও পরিবেশের যৌথ ফলাফল । মনোবিজ্ঞানীরা শারীরিক গঠন দ...
হয়রানি/Harassment, নিপীড়ন বন্ধের জন্য করণীয়
- Get link
- X
- Other Apps
হয়রানি/Harassment হয়রানি বা নিপীড়ন আক্রমণাত্মক .আচরণের বহিঃপ্রকাশ। ইহা সাধারনত সেই সকল আচরণকে বোঝায় যার দ্বারা কেউ অস্বস্থি বা বিচলিত বোধ করে এবং তার পুনরাবৃত্তি করা হয়।আইনী বোধে যার দ্বারা কাউকে পীড়া দেওয়া বা ভীতিপ্রদর্শন করাকে বোঝানো হয়। যৌন হয়রানির শিকার ব্যাক্তির নিকট যৌন হয়রানি নাছোড়বান্দা আর অনাকাঙ্ক্ষিত যৌনতার দিকে অগ্রসর করে, বিশেষত কর্মক্ষেত্রে, যেখানে অস্বীকার করার পরিণাম হচ্ছে সম্ভাব্য অসুবিধা। যৌন নিপীড়ন বন্ধের জন্য করণীয় জনসমাগমস্থল বা পাবলিক প্লেসে নারীদের যৌন নিপীড়নের ঘটনা ও ভয়াবহতা বাড়ছে। তাঁরা রাস্তায়, বাসে, কর্মক্ষেত্রেও এ ধরনের ঘটনার শিকার হন। প্রতিরোধে দরকার দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়নমূলক পরিকল্পনা ও সুনির্দিষ্ট আইন। পাশাপাশি, যৌন শিক্ষাও জরুরি। আজ শনিবার রাস্তায় যৌন নিপীড়ন প্রতিরোধে করণীয় কৌশলবিষয়ক এক সিম্পোজিয়ামে বক্তারা এসব কথা বলেন। রাজধানীর বিলিয়া মিলনায়তনে এর আয়োজন করে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ল অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল অ্যাফেয়ার্স (বিলিয়া)। বক্তারা বলেন, ...
হোটেল ম্যানেজমেন্ট এন্ড ট্যুরিজম
- Get link
- X
- Other Apps
হোটেল ম্যানেজমেন্ট এন্ড ট্যুরিজম পর্যটন শিল্প এখন রমরমা। দেশে তৈরি হচ্ছে আন্তর্জাতিক মানের হোটেল-মোটেল। বাড়ছে দক্ষ কর্মীর চাহিদা। দেশের বাইরেও আছে লোভনীয় চাকরির হাতছানি। তাই এইচএসসি পাসের পর ভর্তি হতে পারেন হোটেল ম্যানেজমেন্টে। পর্যটন বিষয়ে পড়তে চাইলে এইচএসসি পাস এবং ভালো ইংরেজি বলায় পটু হতে হবে। সৌন্দর্যের চেয়ে এখানে ভালো কাজ জানাটাই গুরুত্বপূর্ণ। তবে তারকা হোটেলগুলোর কিছু কিছু বিভাগে শারীরিক গঠনকেও গুরুত্ব দেওয়া হয়। ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট কী: ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট হলো পর্যটন ও সেবাবিষয়ক প্রায়োগিক জ্ঞানের পাঠ, যা বাণিজ্য অনুষদের অধীনে পড়ানো হয়। ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের চেয়ারপারসন মুবিনা খোন্দকার বলেন, ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট শুধু পর্যটন বা হোটেল ব্যবস্থাপনা নিয়েই সীমাবদ্ধ নয়; বরং একই সঙ্গে রাজনীতি, অর্থনীতি ও সংস্কৃতির সমন্বয় ঘটিয়ে কীভাবে এই শিল্পের উন্নয়ন করা যায় তা নিয়েও আলোচনা করা হয় এতে। এ ছাড়া দক্ষ জনশক্তি তৈরি করে পর্যটনশিল্প এগিয়ে নিতে সহায়তা করে ট্যুরিজম অ্যান্ড ...
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর/Ishwar Chandra Vidyasagar
- Get link
- X
- Other Apps
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর/Ishwar Chandra Vidyasagar ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ( ২৬ সেপ্টেম্বর ১৮২০ – ২৯ জুলাই ১৮৯১ ) উনবিংশ শতকের একজন বিশিষ্ট বাঙালি শিক্ষাবিদ, সমাজ সংস্কারক ও গদ্যকার। তার প্রকৃত নাম ঈশ্বরচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় । সংস্কৃত ভাষা ও সাহিত্যে অগাধ পাণ্ডিত্যের জন্য প্রথম জীবনেই তিনি বিদ্যাসাগর উপাধি লাভ করেন। সংস্কৃত ছাড়াও বাংলা ও ইংরেজি ভাষায় বিশেষ বুৎপত্তি ছিল তার। তিনিই প্রথম বাংলা লিপি সংস্কার করে তাকে যুক্তিবহ ও অপরবোধ্য করে তোলেন। [১] বাংলা গদ্যের প্রথম সার্থক রূপকার তিনিই। তাকে বাংলা গদ্যের প্রথম শিল্পী বলে অভিহিত করেছেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। তিনি রচনা করেছেন জনপ্রিয় শিশুপাঠ্য বর্ণপরিচয় সহ, একাধিক পাঠ্যপুস্তক, সংস্কৃত ব্যাকরণ গ্রন্থ। সংস্কৃত, হিন্দি ও ইংরেজি থেকে বাংলায় অনুবাদ সাহিত্য ও জ্ঞানবিজ্ঞান সংক্রান্ত বহু রচনা অন্যদিকে বিদ্যাসাগর মহাশয় ছিলেন একজন সমাজ সংস্কারকও। বিধবা বিবাহ ও স্ত্রীশিক্ষার প্রচলন, বহুবিবাহ...