বুলবুল/Bulbul সাইক্লোন


 বুলবুল/Bulbul সাইক্লোন


 
বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট এই ঘূর্ণিঝড়ের নামটি দিয়েছে পাকিস্তান

তবে অনেকেই জানেন এর নাম বুলবুল দেয়া হলো কীভাবে?
১৯৪৫ সাল থেকে গ্রীষ্মমণ্ডলীয় অঞ্চলে শুরু হয় সাইক্লোন-টাইফুন ও হারিকেন তথা ঘূর্ণিঝড়ের আনুষ্ঠানিক নামকরণ।

একসময় ঝড়গুলোকে নানা নম্বর দিয়ে শনাক্ত করা হতো। কিন্তু সেসব নম্বর সাধারণ মানুষের কাছে দুর্বোধ্য হতো। ফলে সেগুলোর পূর্বাভাস দেয়া, মানুষ বা নৌযানগুলোকে সতর্ক করাও কঠিন মনে হতো।

এ কারণে ২০০৪ সাল থেকে বঙ্গোপসাগর ও আরব সাগরের উপকূলবর্তী দেশগুলোয় ঝড়ের নামকরণ শুরু হয়। সে সময় আটটি দেশ মিলে ৬৪টি নাম প্রস্তাব করে। সেসব ঝড়ের নামের মধ্যে এখন বুলবুল ঝড়কে বাদ দিলে আর ৫টি নাম বাকি রয়েছে।

বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা আঞ্চলিক কমিটি একেকটি ঝড়ের নামকরণ করে। উদাহরণস্বরূপ ভারত মহাসাগরের ঝড়গুলোর নামকরণ করে এই সংস্থার আট দেশ।
দেশগুলো হচ্ছে- বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, মিয়ানমার, মালদ্বীপ, শ্রীলংকা, থাইল্যান্ড ও ওমান, যাদের প্যানেলকে বলা হয় WMO/ESCAP।

একসময় ঝড়ের নাম হিসেবে নারীদের নামকে প্রাধান্য দেয়া হলেও পরবর্তীতে আবারও পুরুষের নাম সংযোজিত হতে থাকে। বর্তমানে বস্তু বা অন্য বিষয়ের নাম অবস্থাভেদে টেনে আনা হয়েছে। যেমন- সিডর, মেঘ, বায়ু, সাগর ইত্যাদি।

উত্তর ভারত মহাসাগরে সৃষ্ট সব ঝড়ের নামকরণের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের দেয়া নামগুলো হলো- অনিল, অগ্নি, নিশা, গিরি, হেলেন, চপলা, অক্ষি, ফণী।
বর্তমানে ঘূর্ণিঝড় বুলবুল নিয়ে আলোচনা চলছে।

ঘূর্ণিঝড় বুলবুল হলো উত্তর আন্দামান সাগরে জন্ম নেয়া ঘূর্ণিঝড়। নিরক্ষীয় ঝড় মত্ত ঘূর্ণিঝড় বুলবুল নামে পুনর্জন্ম লাভ করে। ৫ই নভেম্বর সেখানে প্রথমে নিম্নচাপ সৃষ্টি হয়, ছয় তারিখে গভীর নিম্নচাপ এবং সাত তারিখে দুপুরের দিকে এটি ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নেয়। ওইদিন রাত থেকে এটি শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নেয়।

নামকরণ 


আরব সাগরবঙ্গোপসাগর তীরবর্তী রাষ্ট্রগুলো নিয়ে গঠিত ইকোনমিক অ্যান্ড সোশ্যাল কাউন্সিল ফর এশিয়া অ্যান্ড প্যাসিফিক (এসক্যাপ) এর ৮ সদস্যের প্যানেল সকলের সম্মতির ভিত্তিতে নতুন ঘূর্ণিঝড়ের নাম বছরের শুরুতেই নির্ধারণ করে থাকে। সেমতে ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের নামকরণ প্রস্তাব করে পাকিস্তান

উৎপত্তি

উত্তর আন্দামান সাগরে ঘূর্ণিঝড়ের বুলবুলের উৎপত্তি ঘটে। ৫ নভেম্বর প্রথমে নিম্নচাপ সৃষ্টি হয়, যা পরদিন অর্থাৎ ৬ তারিখ গভীর নিম্নচাপ এবং ৭ নভেম্বর দুপুরে নিম্নচাপ শক্তিশালী হয়ে ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয়। ঐদিন রাতেই এটি শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নেয়।

গতিপথ

নিরক্ষীয় ঝড় মত্ম ১৮০০ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে পুনঃশক্তি অর্জন। এটা একটি অস্বাভাবিক ঘটনা৷ ২৪ অক্টোবর ফিলিপাইন সাগরে মত্ম গঠিত হয়। ফিলিপাইন সাগরকে ঘূর্ণিঝড়ের আতুরঘর বলা হয়।

 

ধন্যবাদ।

Comments

Popular posts from this blog

মাল্টিমিডিয়া ক্লাসঃ সুবিধা ও অসুবিধা

খনিজ কি? খনিজের বৈশিষ্ট্য লেখ?

বিশ্বায়ন/আন্তর্জাতিকরণ/Globalization / Internationalization কী?