Posts

টাই বাঁধুন সঠিক উপায়ে: না হলে বিপদ

টাই বাঁধুন সঠিক উপায়ে: না হলে বিপদ অফিসের ড্রেসকোডের কারণে অথবা নিজেকে স্মার্ট দেখানোর উদ্দেশ্যে অনেকেই শার্টের সঙ্গে নিয়মিত টাই পড়ে থাকেন। আর টাই পড়ার নিয়মটাই হচ্ছে, টাইট করে টাই বাঁধা। কিন্তু নতুন একটি গবেষণার ফলাফলে বলা হয়েছে, টাইট করে বাঁধা টাই মস্তিষ্কে রক্তপ্রবাহ বিঘ্নিত করতে পারে। গলার শিরায় চাপ প্রয়োগের মাধ্যমে টাই পরিধানকারীরা মস্তিষ্কে রক্ত পুশ করতে পারে এবং চাপের অস্বাস্থ্যকর বিল্ড-আপ সৃষ্টি করে। অধিকাংশ লোকের ক্ষেত্রে এটি মারাত্মক স্বাস্থ্য ঝুঁকির কারণ হয় না, বলেন জার্মানির ইউনিভার্সিটি হসপিটাল স্ক্লেসউইগ-হোলস্টেইনের গবেষকরা- কিন্তু এটি তাদের মধ্যে সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে যারা ইতোমধ্যে রক্তচাপ সমস্যায় আছেন, ধূমপান করেন অথবা বয়স্ক হয়েছেন। পূর্বের গবেষণায় ইতোমধ্যে টাই বাঁধার সঙ্গে চোখে চাপ পড়ার সংযোগ পাওয়া গেছে, যার ফলে গ্লকোমা হওয়ার ঝুঁকি বেড়ে যায়। গবেষকরা লিখেন, ‘পূর্বের গবেষণার ওপর ভিত্তি করে, এই গবেষণার লক্ষ্য ছিল কিভাবে টাই পরিধান মস্তিষ্কসংক্রান্ত রক্তপ্রবাহ ও গলার শিরার রক্তপ্রবাহকে নেতিবাচকভাবে প্রভাবিত করে তা আরো অনুসন্ধান করা।’ এমআর...

নিয়ম মেনে মোটরসাইকেল চালাচ্ছেন তো?

 নিয়ম মেনে মোটরসাইকেল চালাচ্ছেন তো? শখের বসে কিংবা পেশাগত প্রয়োজনে মোটরসাইকেল চালান অনেকেই। বর্তমানে এই যানটির ব্যাপক জনপ্রিয়তা বেড়েছে। শুধু পুরষরা নয় বরং নারীরাও এই যানটি চালাতে বেশ আগ্রহী। কারো কারো সারাদিনই দীর্ঘ সময় ধরে মোটরসাইকেল চালাতে হয়। কিন্তু অবৈজ্ঞানিক উপায়ে মোটরসাইকেল চালালে শরীরের বিভিন্ন জয়েন্টে ব্যথা ও মেরুদণ্ডে সমস্যা হতে পারে, এমনকি কর্মক্ষমতাও হারিয়ে ফেলতে পারেন। কাজেই কিছু বিষয়ে সতর্ক থাকা প্রয়োজন। মোটরসাইকেল হতে হবে সামঞ্জস্যপূর্ণ মোটরসাইকেল কেনার সময় এর বসার আসন, হ্যান্ডেলবার, পাদানি শরীরের সঙ্গে মানানসই কি-না বিবেচনা করে নিন। আপনার উচ্চতা ও শারীরিক গড়নের বিবেচনায় নিয়ে মোটরসাইকেলটি কিনুন। সঠিকভাবে মোটরসাইকেল চালান ধীরে সুস্থে মোটরসাইকেল চালাবেন। অবশ্যই হেলমেট ব্যবহার করবেন। বসার আদর্শ অবস্থান মোটরসাইকেল চালানোর সময় অবশ্যই চালককে পিঠ সোজা রেখে বসতে হবে। কাঁধ দুটো পেছনের দিকে কিছুটা বাঁকানো এবং কোমরের সঙ্গে সামঞ্জস্য থাকতে হবে। ঘাড় এবং কাঁধ সামনে কুঁজো হয়ে থাকলে অস্বস্তি ও ব্যথা হয়। পায়ের অবস্থান গোড়ালি কোমর বরাবর অবস্থান করবে। অর্...

অজ্ঞান হলে করণীয়

অজ্ঞান হলে করণীয় অজ্ঞান হয়ে যাওয়া, মূর্ছা যাওয়া, সংজ্ঞা হারানো বা মাথা ঘুরে পড়ে যাওয়া যেভাবেই বলা হোক না কেন, ব্যাপারটির সঙ্গে পরিচয় আছে সবারই। অনেকে নিজে এই অবস্থায় পড়েছেন। আবার অন্যকে চোখের সামনে জ্ঞান হারাতে দেখেছেন। চলতি পথে, কর্মস্থলে, বাড়িতে হঠাৎ কাউকে অচেতন হয়ে পড়তে দেখলে আপনি কী করবেন? অসুস্থ ব্যক্তির সহায়তায় এগিয়ে যাওয়া কর্তব্য। এমন পরিস্থিতিতে ঘাবড়ে না গিয়ে প্রাথমিক কিছ– পদক্ষেপ নিলে হয়তো মানুষটার জীবন রক্ষা পাবে। ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের নিউরোলজি ও মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডা. মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘নানা কারণে মানুষ জ্ঞান হারাতে পারে। বুকে বা মাথায় আঘাত, অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ, শরীরে পানিশূন্যতা বা লবণশূন্যতা, রক্তে শর্করার মাত্রা হ্রাস, হঠাৎ রক্তচাপ হ্রাস, হৃদরোগ, মস্তিষ্কে রক্ত সরবরাহে ঘাটতি, মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ বা স্ট্রোক, মৃগীরোগ ইত্যাদি কারণে মানুষ হঠাৎ অজ্ঞান হতে পারে। ওষুধ বা অ্যালকোহলের প্রতিক্রিয়া, এমনিক বিষক্রিয়াও হতে পারে কারণ। আপনার সামনে যে কেউ যে কোনো সময় এমন অবস্থার শিকার হতে পারে। এমন পরিস্থিতিতে একটি জীবন রক্ষা করতে প্রাথমিক চিকিৎসা সম্পর্কে...

ডায়াবেটিসঃ ভাত রান্নার নতুন পদ্ধতি

 ডায়াবেটিসঃ  ভাত রান্নার নতুন পদ্ধতি  কমবে ডায়াবেটিস গবেষক সুদাহির জেমস বলছেন, ‘প্রথমে পাত্রে পানি ফোটাতে হবে, এরপর তাতে যে পরিমাণ চাল রান্না করবেন তার প্রায় তিন শতাংশ পরিমাণ নারকেল তেল দিতে হবে। এরপর সেই ফুটন্ত পানিতে চাল ঢেলে দিতে হবে। ভাত হয়ে গেলে তা ফ্রিজে ১২ ঘন্টা রেখে ঠান্ডা করতে হবে।’ ড. পুষ্পরাজা বলেন, নারকেল তেল দিয়ে ভাত রান্না এবং তারপর তা ১২ ঘন্টা ধরে ঠান্ডা করার ফলে ভাতের ভেতর যে স্টার্চ বা শ্বেতসার আছে - তার রাসায়নিক প্রকৃতি বদলে যায় এবং তার ক্যালরির পরিমাণ কমিয়ে দেয়। তিনি আরও বলেন, ক্যালরির পরিমাণ কমে যাওয়া মানেই সেই ভাতের ডায়াবেটিসের ঝুঁকিও কমে যাওয়া। তারা এ পর্যন্ত শ্রীলংকার ৩৮ প্রজাতির চাল নিয়ে এ পরীক্ষা চালিয়েছেন। এখন তাদের লক্ষ্য বাকি প্রজাতির চালের ওপর এই পরীক্ষা চালানো এবং নারকেল তেল ছাড়া অন্য তেল দিয়েও এই সুফল পাওয়া সম্ভব কিনা তাও বের করা।  সূত্র: বিবিসি ধন্যবাদ।

শীতকালীন ফলের পুষ্টিগুন

  শীতকালিন ফলের পুষ্টিগুন নানা ধরনের বৈচিত্র্যতায় আর নতুনত্বে শীত অন্যান্য ঋতু থেকে আলাদা। ফ্যাশন থেকে শুরু করে তাই নিত্যদিনের খাবার তালিকাতেও এর উপস্থিতি চোখে পড়ে। শীতের এ সময়ে খাবার তালিকাতে আসে বেশ পরিবর্তন। খাবার তালিকার কেবল শাক সবজি নয় ফলের দিক থেকে শীতের এ সময়ে দেখা মেলে নানা ধরনের মুখরোচক ফলের। শীতের এ সময়ে অন্যান্য সময়ের তুলনায় ফলের সমারোহ অনেকাংশে বেশি দেখা যায়। শীত এলে কিছু মৌসুমি ফলও চলে আসে বাজারে,দেখা মেলে বরই, জলপাই, আমলকি, সফেদা, কমলালেবু, আপেল আর ডালিমের। এসব ফলে আছে ভিটামিন ‘সি’, ভিটামিন ‘এ’, মিনারেল, ক্যালসিয়াম, ফসফরাস, ভিটামিন ‘ই’, এন্টিঅক্সিজেন, ফাইবারসহ আরও অনেক ভিটামিনের। এসব মৌসুমি ফল কেবল মুখরোচকই নয়, এতে থাকা নানা ভিটামিন এবং মিনারেলসহ ফাইবার দাঁত, মাড়ি মজবুত করতে যেমন সাহায্য করে তেমনি নানা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। বিশেষজ্ঞরা বলেন, বাইরে থেকে যত্নের পাশাপাশি চাই ভেতর থেকে সুস্থতা। শীতে কিছু ফল আপনাকে সজীবতা ও সুস্থতা দেবে। শরীরে ফাইবার বা আঁশের ঘাটতি মেটাতে ও ভিটামিন ‘সি’র জোগান দিতে শীতের সময় বেশি করে টকজাতীয় ফল খে...

শীতকালীন ব্যাধি ও তার প্রতিকার

শীতকালীন ব্যাধি ও তার প্রতিকার  শীতকাল কিন্তু প্রায় উঁকি দিচ্ছে। যদিও বাংলা পঞ্জিকার হিসাব মতে পৌষ ও মাঘ এই দুই মাস শীতকাল। কিন্তু বেশ কিছু দিন ধরেই শীতের একটা আমেজ সবাই কমবেশি উপলব্ধি করতে শুরু করেছেন। এই যে হঠাৎ  আবহাওয়া ও জলবায়ুর এ পরিবর্তন তাতে কিন্তু অনেকেই সহজে নিজেকে খাপ খাওয়াতে পারেন না। আবহাওয়া ও জলবায়ুর এই পরিবর্তনের এ সময়টাতে অনেকেই নানা অসুখে ভুগতে শুরু করেন। শীতের এই আসন্ন সময়টা অনেক মানুষকে প্রায়ই চরমভাবে ভোগায়। এ সময়টাতে নানা অসুখ-বিসুখ মানুষকে বেশ বেকায়দায় ফেলে দেয়। যেমন সর্দি-কাশি-হাঁচি ও নিঃশ্বাসে কষ্ট। এ সময় কারও ঠাণ্ডাজনিত সমস্যা হলে তা সহজে না সারার প্রবণতাসহ বিভিন্ন শ্বাসতন্ত্রজনিত রোগ বেশি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। ঋতু পরিবর্তনের সঙ্গে শরীরকে খাপ খাওয়ানোর সময়ে বিভিন্ন শীতকালীন অসুখ আমাদের শরীরে আক্রমণের সুযোগ নেয়। আবার অনেক ক্ষেত্রে ভৌগোলিক কারণে আবহাওয়া ও পরিবেশেরও পরিবর্তন হয়ে থাকে। কারও কারও অ্যালার্জি সমস্যা এ সময়ে বাড়ে। এমনটা ঘটে কারণ আমাদের শরীর কোনো পারিপার্শ্বিক পরিবর্তনের জন্য সময় নেয়। তাই হঠাৎ এই তাপমাত্রা বা আবহাওয়ার পরিবর্তন মা...

বিশ্বায়ন/আন্তর্জাতিকরণ/Globalization / Internationalization কী?

      বিশ্বায়ন/আন্তর্জাতিকরণ Globalization / Internationalization   আন্তর্জাতিক শব্দের অর্থ সর্বজাতীয়। বিশ্ব শব্দের অর্থ সমগ্র পৃথিবী। অর্থনীতি, প্রযুক্তি প্রভৃতি ক্ষেত্রে উন্নয়নশীল ও উন্নত দেশসমূহের মধ‍্যে সমন্বয় সাধনের প্রক্রিয়াকে বিশ্বায়ন বা Globalization বলে। আর পৃথিবীর সকল জাতির মধ‍্যে সমন্বয় সাধনের প্রক্রিয়াকে আন্তর্জাতিকরণ বা Internationalize বলে।  সূত্রঃ বাংলা ইংরেজি ডিকশনারী।     বিশ্বায়ন   বিশ্বায়ন বিংশ শতকের শেষভাগে উদ্ভূত এমন একটি আন্তর্জাতিক অবস্থা যাতে পৃথিবীর বিনিয়োগ, কর্মসংস্থান, উৎপাদন ও বিপণন ব্যবস্থা দৈশিক গণ্ডি ছাড়িয়ে আন্তঃদেশীয় পরিসরে পরিব্যাপ্তি লাভ করেছে। এর ফলে সারা বিশ্ব একটি পরিব্যাপ্ত সমাজে পরিণত হয়েছে এবং অভিন্ন বিনিয়োগ, কর্মসংস্থান,, উৎপাদন ও বিপণন প্রক্রিয়ায় বিভিন্ন দেশ যুগপৎ অংশ গ্রহণ করছে।  আন্তর্জাতিকরণ   আন্তর্জাতিক বলতে অধিকাংশ ক্ষেত্রে (একটি কোম্পানি, ভাষা, অথবা সংগঠন) বোয়ায় যা একের অধিক দেশের সাথে সংযুক্ত অথবা এর কার্যক্রম একের অধিক দেশে বিস্তৃত। যে...