মাল্টিমিডিয়া ক্লাসঃ সুবিধা ও অসুবিধা মাল্টিমিডিয়া ক্লাস : মাল্টিমিডিয়া ক্লাস অর্থ বহু মাধ্যম যোগে পরিচালিত শ্রেণীকার্যক্রম। মাল্টিমিডিয়া হ’তে হ’লে তিনটি জিনিস লাগে। ১.বর্ণ (লেখা) ২. চিত্র/ছবি ৩. শব্দ। এরূপ ক্লাসে বর্ণ বা লেখা (Text), চিত্র (Graphics) ও শব্দ (sound) যোগে পাওয়ার পয়েন্টে সলাইড তৈরি করে উপস্থাপন করতে হয়। একটি শ্রেণিপাঠে সাধারণত ১০ থেকে ২০টা সলাইডই যথেষ্ট। মাল্টিমিডিয়া ক্লাস নিতে হ’লে শ্রেণীকক্ষে বিদ্যুৎ, ১টি ল্যাপটপ, ১টি প্রজেক্টর ও একটি সাদা স্ক্রীন অথবা দেয়াল থাকা আবশ্যক। ICT ট্রেনিং-এর মাধ্যমে শিক্ষকদের এ বিষয়ে দক্ষ করার চেষ্টা সরকারের পক্ষ থেকে অব্যাহত রয়েছে। এই ক্লাস নেওয়ার সময় সলাইডে প্রদর্শিত স্বাগতম, পরিচিতি, শিখনফল ইত্যাদি যা থাকে শ্রেণীকক্ষে তা দেখানো যাবে না। বরং পাঠ ঘোষণা থেকে বাড়ির কাজ পর্যন্ত দেখাতে হবে। অংশগ্রহণমূলক পদ্ধতির পাঠদানের সকল প্রক্রিয়াই মাল্টিমিডিয়া ক্লাসে প্রযোজ্য। এখানেও শিক্ষক সময় বিভাজন করে পাঠ্য বই ধরে আলোচনা করবেন। প্রয়োজনীয় চিত্র ও ভিডিও প্রজেক্টরের মাধ্যমে পর্দায় দেখাবেন। পর্দায় একক, জোড়ায় ও দলগত কাজের...
খনিজ কি? খনিজের বৈশিষ্ট্য লিখ। খনিজ কি? কয়েকটি মৌলিক পদার্থ প্রাকৃতিক উপায়ে মিলিত হয়ে যে একটি যৌগিক পদার্থের সৃষ্টি করে তাকে খনিজ বলে। ইহা স্বাভাবিকভাবে সৃষ্ট এমন একটি সমস্বত্বের অজৈব পদার্থ যার সাধারণত একটি নির্দিষ্ট রাসায়নিক মিশ্রণ এবং একটি পারমাণবিক গঠন থাকে। কোন কোন খনিজ কেবলমাত্র একটি মৌলিক উপাদানে গঠিত। যেমন স্বর্ণ,রৌপ্য, তাম্র, হীরক, গন্ধক প্রভৃতি। তবে বেশিরভাগ খনিজ দুই বা ততোধিক মৌলিক উপাদানের সংমিশ্রণে গঠিত। খনিজের বৈশিষ্ট্য: খনিজের প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলো হচ্ছে তার রঙ, কাঠিন্,য আপেক্ষিক গুরুত্ব, খণ্ডায়ন বা রাসায়নিক সমীকরণ ইত্যাদি প্রধান। এজন্য তার কতিপয় প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্য ও রাসায়নিক গঠনের দ্বারা চিনতে পারা যায়। তবে পৃথিবীর বুকে অসংখ্য খনিজ পদার্থ রয়েছে যাদের প্রত্যেকের একটি নিজস্ব রাসানিক সমীকরণ ও বৈশিষ্ট্য রয়েছে। নিম্নে খনিজের সাধারণ বৈশিষ্ট্য সমূহ প্রদত্ত হলো-- 1. খনিজ একটি একক মৌলিক উপাদান হতে পারে। যেমন স্বর্ণ-রৌপ্য, তাম্র, সালফার ইত্যাদি। 2. সকল খনিজের কিছু সংখ্যক ভৌত ও রাসায়নিক ধর্ম আছে। 3. স্ফটিক আকারে পরমাণু য...
বিশ্বায়ন/আন্তর্জাতিকরণ Globalization / Internationalization আন্তর্জাতিক শব্দের অর্থ সর্বজাতীয়। বিশ্ব শব্দের অর্থ সমগ্র পৃথিবী। অর্থনীতি, প্রযুক্তি প্রভৃতি ক্ষেত্রে উন্নয়নশীল ও উন্নত দেশসমূহের মধ্যে সমন্বয় সাধনের প্রক্রিয়াকে বিশ্বায়ন বা Globalization বলে। আর পৃথিবীর সকল জাতির মধ্যে সমন্বয় সাধনের প্রক্রিয়াকে আন্তর্জাতিকরণ বা Internationalize বলে। সূত্রঃ বাংলা ইংরেজি ডিকশনারী। বিশ্বায়ন বিশ্বায়ন বিংশ শতকের শেষভাগে উদ্ভূত এমন একটি আন্তর্জাতিক অবস্থা যাতে পৃথিবীর বিনিয়োগ, কর্মসংস্থান, উৎপাদন ও বিপণন ব্যবস্থা দৈশিক গণ্ডি ছাড়িয়ে আন্তঃদেশীয় পরিসরে পরিব্যাপ্তি লাভ করেছে। এর ফলে সারা বিশ্ব একটি পরিব্যাপ্ত সমাজে পরিণত হয়েছে এবং অভিন্ন বিনিয়োগ, কর্মসংস্থান,, উৎপাদন ও বিপণন প্রক্রিয়ায় বিভিন্ন দেশ যুগপৎ অংশ গ্রহণ করছে। আন্তর্জাতিকরণ আন্তর্জাতিক বলতে অধিকাংশ ক্ষেত্রে (একটি কোম্পানি, ভাষা, অথবা সংগঠন) বোয়ায় যা একের অধিক দেশের সাথে সংযুক্ত অথবা এর কার্যক্রম একের অধিক দেশে বিস্তৃত। যে...
Comments
Post a Comment